নন্দীগ্রাম নিয়ে প্রচুর হই চই হল। এই ঘটনাক্রমের ব্যাপারে কয়েকটা জিনিস বড় আশ্চর্যের।
প্রথমত, সি পি আই (এম) -ই এত দিন কেন্দ্রিয় এস ই জেড নিতির বিরোধিতা করছিল। কেন্দ্র সরকার কান দিচ্ছিল না। অথচ যে ঘটনার ফলে শেষ পর্যন্ত এই নিতির পরিবর্তন করতে কেন্দ্র সচেতন হল সেটা ঘটল বামফ্রন্ট শাসিত পশ্চিম বঙ্গে!
দ্বিথীয়ত, যে গোষ্ঠীগুলো ভূমি সংস্কারের বিরোধী বাস্তুঘুঘুতে ভর্তি, সেই কংগ্রেস ও তৃনমূল-ই কিনা আজ কৃষক স্বার্থের রক্ষক হিসেবা নিজেদের পাশ করার চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে! তা তো হবেই - পঞ্চায়েতের নির্বাচন তো এলো বলে।
তৃথীয়ত, যে ধরনের পুলিশী অত্যাচারের বিরোধিতা সি পি আই (এম) করে থাকে - যেমন চন্দ্রবাবু নাইডুর আমলে হাইদ্রাবাদে বিদ্যুৎ দর বৃদ্ধীর বিরোধকারিদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা, বা হরিয়েনার গুরগাঁওতে হন্ডা ফ্যাক্ট্রির শ্রমিকদের ওপর পুলিশের নির্মম প্রহার। মানতেই হবে, তা আগে পরের ঘটনা যাই হোক, নন্দীগ্রামে পুলিশী অত্যাচার এর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। বিশেষ করে একটা দৃশ্য আমার চোখের সামনে থেকে সরছে না। লাঠি বা গুলির আঘাতে এক পুরুষ জমিতে পড়ে গেছে। আর তাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে দুই মহিলা। একটা পুলিশ এগিয়ে গিয়ে এই দুই মহিলার একজনকে লাঠির বাড়ি বেধড়ক পেঠাল। এটা কোনো উগ্র প্ররোচনায় লাঠি চালানো নয়। এটা সরাসরি পুলিশী আক্রমন! এবং আমি মনে করিনা যে এধরনের নির্মম পুলিশী অত্যাচারের বিরোধিতা করা বামফ্রন্ট সরকারের বিরোধিতা করার সমান।
আসলে আমার মতে বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে এক গভীর চক্রান্ত গড়ে উঠছে।
ক্রমশ...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment