আমি আমার দুটো ব্লগ জুড়ে দিয়েছি ।
এবার এখানে পড়ুন ।
Thursday, June 28, 2007
Wednesday, May 2, 2007
নন্দীগ্রামে ফিরিঙ্গী ফন্দীঃ কেন এখন
আজ কলকাতা হাই কোর্টে CBI-র রিপোর্ট পেশ হয়েছে। CBI বলেছে যে তারা কিছুই বুঝতে পারছে না। তা পারবে কি করে। মনের মত রিপোর্ট না দিলে তো বাম বিরোধি কোর্ট মানবে না। তাই মিথ্যে কথা বলার চেয়ে কথা চেপে যাওইয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
যাই হোক হাই কোর্টের কির্তি কলাপের মধ্যে গিয়ে লাভ নাই। যেটা মনে রাখার প্রয়জন তা হল বাম্ফ্রন্ট সরকার হঠাৎ এই রকম একটা প্রিস্থিতিতে পড়ল কেন? এটা কোন নতুন ঘটনা নয়। দক্ষিন পন্থি শক্তিরা বরাবরই পশ্চিম বঙ্গের বাম ফ্রন্ট সরকারকে প্রত্যক্ষ এবং পরক্ষ ভাবে আক্রমন করার চেষ্ঠা করেছে। আমরা সকলেই জানি কি ভাবে গত বিধান সভা নির্বাচনের সময় বারে বারে পক্ষপাতিত্যের নমুনা পাশ করেছিল এবং সময় অসময় আজব সব বয়ান যারি করছিল। কিন্তু তাও বাম ফ্রন্টের বিন্দুটি ক্ষতি করতে পারেনি। আমরা এও জানি যে বিভিন্ন ভাবে বিদেশী শক্তিরা অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে বাম ফ্রন্টের বিরুদ্ধে জমি মজবুত করতে চেশঠা চালিয়ে গেছে। পাঁশকুড়া, কেশপুরের ঘটনা আমরা এখনও ভুলিনি। বেশ কয়েক বছর আগে আনন্দমার্গীরা কিভাবে অস্ত্রের চোরাচালান চালাচ্ছিল তা ধরা পড়ে যখন একটা বেআইনি বিমান ভেঙ্গে পড়ে ও তার থেকে পাচার করা অস্ত্র ধরা পড়ে।
কেবল পশ্চিম বঙ্গ নয়, বাম শাসিত অন্য রাজ্যেও এই রকম হস্তক্ষেপ করে থাকে। ভারত সরকারের কাছে প্রমান আছে যে মার্কিন গুপ্ত সংস্থা সি আই এ, ত্রিপুরায় উগ্রপন্থি, বাম বিরোধহি শক্তিগুলোকে প্রশিখহ্ন দিয়ে চলেছে। এর আগে ১৯৫৯ সালে কেরলে নাম্বুদিরিপাদ সরকারের অপসরনে এবং ১৯৭১ সালে পশ্চিম বঙ্গে কমিউনিস্টদের উপর আক্রমনে মার্কিন শক্তি কি ভুমিকা গ্রহন করেছিল তা Patrick Moynihan's book A Dangerous Place (1978), প্যাট্রিক ময়নিহান তাঁর বই এ ডেঞ্জারাস প্লেস-এ (১৯৭৮) বর্নণা করেছেন।
এবার নন্দীগ্রামে যে ভাবে পূর্ব পরিকল্পনা করে, মানুষের মনের ভয়কে ব্যবহার করে, একটা বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি জন্ম দেওয়ার চেষ্ঠা করছে তাতে যদি কিছুদিন পরে আবার এক বিদেশী হস্তক্ষেপের প্রমান মেলে তা হলে অবাক হতে হবে না।
আর অবাক হতে হবে না বলেই, বাম ফ্রন্ট ও তার সমর্থকদের আরও বেশি করে সাবধান হতে হবে এবং আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে।
ক্রমশ...
যাই হোক হাই কোর্টের কির্তি কলাপের মধ্যে গিয়ে লাভ নাই। যেটা মনে রাখার প্রয়জন তা হল বাম্ফ্রন্ট সরকার হঠাৎ এই রকম একটা প্রিস্থিতিতে পড়ল কেন? এটা কোন নতুন ঘটনা নয়। দক্ষিন পন্থি শক্তিরা বরাবরই পশ্চিম বঙ্গের বাম ফ্রন্ট সরকারকে প্রত্যক্ষ এবং পরক্ষ ভাবে আক্রমন করার চেষ্ঠা করেছে। আমরা সকলেই জানি কি ভাবে গত বিধান সভা নির্বাচনের সময় বারে বারে পক্ষপাতিত্যের নমুনা পাশ করেছিল এবং সময় অসময় আজব সব বয়ান যারি করছিল। কিন্তু তাও বাম ফ্রন্টের বিন্দুটি ক্ষতি করতে পারেনি। আমরা এও জানি যে বিভিন্ন ভাবে বিদেশী শক্তিরা অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে বাম ফ্রন্টের বিরুদ্ধে জমি মজবুত করতে চেশঠা চালিয়ে গেছে। পাঁশকুড়া, কেশপুরের ঘটনা আমরা এখনও ভুলিনি। বেশ কয়েক বছর আগে আনন্দমার্গীরা কিভাবে অস্ত্রের চোরাচালান চালাচ্ছিল তা ধরা পড়ে যখন একটা বেআইনি বিমান ভেঙ্গে পড়ে ও তার থেকে পাচার করা অস্ত্র ধরা পড়ে।
কেবল পশ্চিম বঙ্গ নয়, বাম শাসিত অন্য রাজ্যেও এই রকম হস্তক্ষেপ করে থাকে। ভারত সরকারের কাছে প্রমান আছে যে মার্কিন গুপ্ত সংস্থা সি আই এ, ত্রিপুরায় উগ্রপন্থি, বাম বিরোধহি শক্তিগুলোকে প্রশিখহ্ন দিয়ে চলেছে। এর আগে ১৯৫৯ সালে কেরলে নাম্বুদিরিপাদ সরকারের অপসরনে এবং ১৯৭১ সালে পশ্চিম বঙ্গে কমিউনিস্টদের উপর আক্রমনে মার্কিন শক্তি কি ভুমিকা গ্রহন করেছিল তা Patrick Moynihan's book A Dangerous Place (1978), প্যাট্রিক ময়নিহান তাঁর বই এ ডেঞ্জারাস প্লেস-এ (১৯৭৮) বর্নণা করেছেন।
এবার নন্দীগ্রামে যে ভাবে পূর্ব পরিকল্পনা করে, মানুষের মনের ভয়কে ব্যবহার করে, একটা বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি জন্ম দেওয়ার চেষ্ঠা করছে তাতে যদি কিছুদিন পরে আবার এক বিদেশী হস্তক্ষেপের প্রমান মেলে তা হলে অবাক হতে হবে না।
আর অবাক হতে হবে না বলেই, বাম ফ্রন্ট ও তার সমর্থকদের আরও বেশি করে সাবধান হতে হবে এবং আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে।
ক্রমশ...
Sunday, April 15, 2007
নন্দীগ্রামে ফিরিঙ্গী ফন্দী
নন্দীগ্রাম নিয়ে প্রচুর হই চই হল। এই ঘটনাক্রমের ব্যাপারে কয়েকটা জিনিস বড় আশ্চর্যের।
প্রথমত, সি পি আই (এম) -ই এত দিন কেন্দ্রিয় এস ই জেড নিতির বিরোধিতা করছিল। কেন্দ্র সরকার কান দিচ্ছিল না। অথচ যে ঘটনার ফলে শেষ পর্যন্ত এই নিতির পরিবর্তন করতে কেন্দ্র সচেতন হল সেটা ঘটল বামফ্রন্ট শাসিত পশ্চিম বঙ্গে!
দ্বিথীয়ত, যে গোষ্ঠীগুলো ভূমি সংস্কারের বিরোধী বাস্তুঘুঘুতে ভর্তি, সেই কংগ্রেস ও তৃনমূল-ই কিনা আজ কৃষক স্বার্থের রক্ষক হিসেবা নিজেদের পাশ করার চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে! তা তো হবেই - পঞ্চায়েতের নির্বাচন তো এলো বলে।
তৃথীয়ত, যে ধরনের পুলিশী অত্যাচারের বিরোধিতা সি পি আই (এম) করে থাকে - যেমন চন্দ্রবাবু নাইডুর আমলে হাইদ্রাবাদে বিদ্যুৎ দর বৃদ্ধীর বিরোধকারিদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা, বা হরিয়েনার গুরগাঁওতে হন্ডা ফ্যাক্ট্রির শ্রমিকদের ওপর পুলিশের নির্মম প্রহার। মানতেই হবে, তা আগে পরের ঘটনা যাই হোক, নন্দীগ্রামে পুলিশী অত্যাচার এর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। বিশেষ করে একটা দৃশ্য আমার চোখের সামনে থেকে সরছে না। লাঠি বা গুলির আঘাতে এক পুরুষ জমিতে পড়ে গেছে। আর তাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে দুই মহিলা। একটা পুলিশ এগিয়ে গিয়ে এই দুই মহিলার একজনকে লাঠির বাড়ি বেধড়ক পেঠাল। এটা কোনো উগ্র প্ররোচনায় লাঠি চালানো নয়। এটা সরাসরি পুলিশী আক্রমন! এবং আমি মনে করিনা যে এধরনের নির্মম পুলিশী অত্যাচারের বিরোধিতা করা বামফ্রন্ট সরকারের বিরোধিতা করার সমান।
আসলে আমার মতে বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে এক গভীর চক্রান্ত গড়ে উঠছে।
ক্রমশ...
প্রথমত, সি পি আই (এম) -ই এত দিন কেন্দ্রিয় এস ই জেড নিতির বিরোধিতা করছিল। কেন্দ্র সরকার কান দিচ্ছিল না। অথচ যে ঘটনার ফলে শেষ পর্যন্ত এই নিতির পরিবর্তন করতে কেন্দ্র সচেতন হল সেটা ঘটল বামফ্রন্ট শাসিত পশ্চিম বঙ্গে!
দ্বিথীয়ত, যে গোষ্ঠীগুলো ভূমি সংস্কারের বিরোধী বাস্তুঘুঘুতে ভর্তি, সেই কংগ্রেস ও তৃনমূল-ই কিনা আজ কৃষক স্বার্থের রক্ষক হিসেবা নিজেদের পাশ করার চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে! তা তো হবেই - পঞ্চায়েতের নির্বাচন তো এলো বলে।
তৃথীয়ত, যে ধরনের পুলিশী অত্যাচারের বিরোধিতা সি পি আই (এম) করে থাকে - যেমন চন্দ্রবাবু নাইডুর আমলে হাইদ্রাবাদে বিদ্যুৎ দর বৃদ্ধীর বিরোধকারিদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা, বা হরিয়েনার গুরগাঁওতে হন্ডা ফ্যাক্ট্রির শ্রমিকদের ওপর পুলিশের নির্মম প্রহার। মানতেই হবে, তা আগে পরের ঘটনা যাই হোক, নন্দীগ্রামে পুলিশী অত্যাচার এর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। বিশেষ করে একটা দৃশ্য আমার চোখের সামনে থেকে সরছে না। লাঠি বা গুলির আঘাতে এক পুরুষ জমিতে পড়ে গেছে। আর তাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে দুই মহিলা। একটা পুলিশ এগিয়ে গিয়ে এই দুই মহিলার একজনকে লাঠির বাড়ি বেধড়ক পেঠাল। এটা কোনো উগ্র প্ররোচনায় লাঠি চালানো নয়। এটা সরাসরি পুলিশী আক্রমন! এবং আমি মনে করিনা যে এধরনের নির্মম পুলিশী অত্যাচারের বিরোধিতা করা বামফ্রন্ট সরকারের বিরোধিতা করার সমান।
আসলে আমার মতে বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে এক গভীর চক্রান্ত গড়ে উঠছে।
ক্রমশ...
Sunday, April 1, 2007
পেয়েছি! বাংলা ব্লগ পেয়েছি!
আমি বাংলা ব্লগ পেয়েছি।
অর্কুটে একটা কম্মুনিটি আছে 'বাংলা ব্লগ'। কিন্তু তাতে তিন চারজন সদস্য আছে মাত্র।
আরো খুঁজতে হবে।
ভালো হোলো এটা 'এপ্রিল ফুল' হয়ে গেল না।
আরো আছেঃ
১। বাংলা ব্লগ banglatest.blogspot.com
২। সোনার বাংলা ব্লগ shonarbanglablog.blogspot.com
৩। আর একটা বাংলা ব্লগের সুচিঃ www.banglablogs.org
তবে কোনোটাই ধারাবাহিক ভাবে আপডেট করা হয়েনা।
অর্কুটে একটা কম্মুনিটি আছে 'বাংলা ব্লগ'। কিন্তু তাতে তিন চারজন সদস্য আছে মাত্র।
আরো খুঁজতে হবে।
ভালো হোলো এটা 'এপ্রিল ফুল' হয়ে গেল না।
আরো আছেঃ
১। বাংলা ব্লগ banglatest.blogspot.com
২। সোনার বাংলা ব্লগ shonarbanglablog.blogspot.com
৩। আর একটা বাংলা ব্লগের সুচিঃ www.banglablogs.org
তবে কোনোটাই ধারাবাহিক ভাবে আপডেট করা হয়েনা।
বাংলায় লিখবো
আমি ঠিক করেছি যে আমি বাংলায় ব্লগ লিখবো। জানি না যে আর কোনো বাংলা ব্লগ আছে কিনা। খুঁজতে হবে। তবে এখন এই শুবিধে হয়ে গেছে। একদম সোজা।
আমি আমার কম্পুটারে "আভ্রো কিবোর্ড" ইন্সটল করেছি। গুগল-এ খুঁজে নিলেই হবে। আমি এতে ফোনেটিক টাইপ করি, অর্থাৎ আমি উচ্চারন অনুযাই ইংরেজি কিবোর্ডে টাইপ করি আর ছবিতে বাংলা দেখায়। বাংলা কিবোর্ড মুখস্ত করার কোন দরকার নেই! একটু অভ্যাস হয়ে গেলে বেশ তাড়াতাড়ি টাইপ করা যায়।
দেখি কেমন হয়ে।
আমি আমার কম্পুটারে "আভ্রো কিবোর্ড" ইন্সটল করেছি। গুগল-এ খুঁজে নিলেই হবে। আমি এতে ফোনেটিক টাইপ করি, অর্থাৎ আমি উচ্চারন অনুযাই ইংরেজি কিবোর্ডে টাইপ করি আর ছবিতে বাংলা দেখায়। বাংলা কিবোর্ড মুখস্ত করার কোন দরকার নেই! একটু অভ্যাস হয়ে গেলে বেশ তাড়াতাড়ি টাইপ করা যায়।
দেখি কেমন হয়ে।
Subscribe to:
Posts (Atom)